খুঁজুন
রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬ বৈশাখ, ১৪৩৩

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানকে ইঙ্গিত করে জয় শাহ— ‘কোনো দলই আইসিসির চেয়ে বড় নয়’

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বিতর্কে জয় শাহ: ‘কোনো দলই আইসিসির চেয়ে বড় নয়’

জনতা নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বিতর্কে জয় শাহ: ‘কোনো দলই আইসিসির চেয়ে বড় নয়’

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বিতর্কে জয় শাহ: ‘কোনো দলই আইসিসির চেয়ে বড় নয়’

সদ্য সমাপ্ত ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে অংশগ্রহণকারী দল ও আয়োজন নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, সে বিষয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, কোনো নির্দিষ্ট দল নয়, বরং সব দল নিয়ে গঠিত আইসিসিই সবার ওপরে।

শনিবার মুম্বাইয়ে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়া বিজনেস লিডার অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এ ক্রিকেটে বিশেষ অবদানের জন্য জয় শাহকে ‘আউটস্ট্যান্ডিং কন্ট্রিবিউশন টু স্পোর্টস’ সম্মানে ভূষিত করা হয়। সেই মঞ্চেই তিনি বিশ্বকাপ আয়োজনের চ্যালেঞ্জ ও সাফল্যের কথা তুলে ধরেন।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল। ভারতে নিরাপত্তা শঙ্কায় দল পাঠাতে রাজি হয়নি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বিকল্প হিসেবে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ স্থানান্তরের অনুরোধ করেছিল বিসিবি। তবে আইসিসি তা গ্রহণ না করে বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে নেয়।

এরপর ‘বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় হচ্ছে’ জানিয়ে পাকিস্তান সরকার ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দেয়। তবে লাহোরে পিসিবি ও বিসিবির সঙ্গে আইসিসির বৈঠকের পর পাকিস্তান সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে।

এই অচলাবস্থার প্রসঙ্গ টেনে ৩৭ বছর বয়সী জয় শাহ বলেন,
“আইসিসির জন্য এবারের বিশ্বকাপটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ টুর্নামেন্ট শুরুর আগে অনেক মানুষ আলোচনা করছিলেন এই এই দল খেলবে কি না, টুর্নামেন্টটি কীভাবে আয়োজিত হবে।”

তিনি আরও বলেন,
“আইসিসি চেয়ারম্যান হিসেবে আমি বলতে পারি যে, কোনো দলই সংস্থার চেয়ে বড় নয়, কোনো একটি একক দল সংস্থা তৈরি করে না। সংস্থা হলো সকল দলের একটি সমন্বয়।”

এবারের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দর্শকসংখ্যা সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে জানিয়ে জয় শাহ বলেন,
“এবার একযোগে সর্বোচ্চ ৭২ লাখ মানুষ খেলা দেখেছেন।”

অনুষ্ঠানে ভারতীয় দলকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন,
“নিচ থেকে শিখরে পৌঁছাতে বছরের পর বছর সময় লাগে, কিন্তু শিখর থেকে নিচে নামতে লাগে মাত্র কয়েক মাস। তাই কঠোর পরিশ্রম অব্যাহত রাখুন এবং নিজেদের পারফরম্যান্স ধরে রাখুন।”

Share this news as a Photo Card

বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ: ১০৮ জনের বিশাল বিজ্ঞপ্তি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ: ১০৮ জনের বিশাল বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ: ১০৮ জনের বিশাল বিজ্ঞপ্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতা নিউজ ঢাকা | ৩১ মার্চ, ২০২৬

ব্যাংকিং খাতে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ নিয়ে এলো বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘সহকারী পরিচালক (সাধারণ)’ পদে জনবল নিয়োগের বিশাল বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এই পদে মোট ১০৮ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে, তবে ব্যাংকের প্রয়োজন অনুযায়ী এই পদসংখ্যা কম বা বেশি হতে পারে।

গতকাল ৩০ মার্চ থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ পাবেন।


যোগ্যতা ও শর্তাবলি:

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীদের নিম্নলিখিত যোগ্যতা থাকতে হবে:

  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) অথবা স্নাতকসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি।

  • ফলাফল: এসএসসি থেকে পরবর্তী স্তরের পরীক্ষাগুলোর অন্তত দুটিতে প্রথম বিভাগ বা সমমানের জিপিএ থাকতে হবে। কোনো পর্যায়েই তৃতীয় বিভাগ বা শ্রেণি গ্রহণযোগ্য হবে না।

  • বয়সসীমা: আবেদনকারীর বয়স ২১ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে (জন্মতারিখ ২ ডিসেম্বর ১৯৯৩ থেকে ২৮ এপ্রিল ২০০৫-এর মধ্যে হতে হবে)।


বেতন ও সুযোগ-সুবিধা:

নিযুক্ত প্রার্থীরা জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী নবম গ্রেডে (২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা) বেতন পাবেন। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী অন্যান্য আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা প্রদান করা হবে।


আবেদন প্রক্রিয়া ও ফি:

আগ্রহী প্রার্থীদের বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগসংক্রান্ত অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে ফরম পূরণ করতে হবে।

  • আবেদন ফি: ২০০ টাকা।

  • আবেদন শুরুর তারিখ: ৩০ মার্চ, ২০২৬।

  • আবেদনের শেষ সময়: ২৭ এপ্রিল, ২০২৬।

নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ও শর্তাবলি বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বা নিয়োগ পোর্টালে সরাসরি দেখা যাবে। ক্যারিয়ার সচেতন তরুণদের জন্য এটি একটি সম্মানজনক ও আকর্ষণীয় কর্মসংস্থানের সুযোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে অমুক্তিযোদ্ধা বাদ

মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন লক্ষাধিক ‘অমুক্তিযোদ্ধা’: সংসদে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন লক্ষাধিক ‘অমুক্তিযোদ্ধা’: সংসদে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

সংসদ প্রতিবেদক, জনতা নিউজ ঢাকা | ৩১ মার্চ, ২০২৬

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ১৭ বছরে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় লক্ষাধিক অমুক্তিযোদ্ধার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে এই অমুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্যদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।


ভুয়া নয়, এরা ‘অমুক্তিযোদ্ধা’

বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “বিগত ১৭ বছরে অসংখ্য অমুক্তিযোদ্ধাকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হয়েছে। আমরা তাদের ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ বলতে চাই না, কারণ মুক্তিযোদ্ধা কখনও ভুয়া হয় না; তারা আসলে অমুক্তিযোদ্ধা।”

মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার এই অমুক্তিযোদ্ধাদের সব সুবিধা থেকে দূরে রেখে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন করতে চায়। যারা রাজনৈতিক কারণে বা হয়রানির শিকার হয়ে তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন, তাদের যথাযথ প্রক্রিয়ায় পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করার কাজ শুরু করেছে মন্ত্রণালয়।

হয়রানির শিকার প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা

বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলাম অভিযোগ করেন যে, ৯ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করলেও আওয়ামী লীগ সরকার তার নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। এর জবাবে মন্ত্রী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, “অতীতে যারা বিরোধী দল করত, তাদের মুক্তিযুদ্ধের সনদ নিয়ে হয়রানি করা এবং সুনাম নষ্ট করা একটি নিয়মিত বিষয় ছিল।”

সরকারি দলের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ফ্যাসিস্ট আমলে অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বন্ধ এবং সনদ স্থগিত করা হয়েছিল। এই অনিয়মগুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

‘যন্তর মন্তর’ ঘর ও রাজাকারের মুক্তিযোদ্ধা হওয়া

সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার ‘হীরক রাজার দেশে’ সিনেমার উদাহরণ টেনে বলেন, ২০০৯ সালের পর থেকে ‘যন্তর মন্তর’ ঘরের মতো রাজাকারকে মুক্তিযোদ্ধা আর মুক্তিযোদ্ধাকে রাজাকার বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এর জবাবে মন্ত্রী বলেন, অমুক্তিযোদ্ধারা কীভাবে তালিকায় ঢুকেছেন তা নিয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করছে এবং অল্প দিনের মধ্যেই এই সংখ্যা সুনির্দিষ্টভাবে জানানো সম্ভব হবে।


অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

  • জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তর: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা আপাতত নেই।

  • বিমানের নাম পরিবর্তন: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) জানিয়েছেন, ঢাকার প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে পুনরায় ‘জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’ করার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি ভবিষ্যতে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা স্বচ্ছ করতে এবং অমুক্তিযোদ্ধাদের অপসারণ করতে দ্রুতই সাঁড়াশি অভিযান শুরু হবে।

ডিজেল ১০০, অকটেন ১২০ টাকা; অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম

বৈশ্বিক অস্থিরতার মাঝেও স্বস্তি: এপ্রিলে বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
বৈশ্বিক অস্থিরতার মাঝেও স্বস্তি: এপ্রিলে বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম

ডিজেল ১০০, অকটেন ১২০ টাকা; অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতা নিউজ ঢাকা | ৩১ মার্চ, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে যখন জ্বালানি তেলের বাজারে আগুন লেগেছে, তখন দেশের সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এলো সরকার। বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেলেও অভ্যন্তরীণ বাজারে এপ্রিলে জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, টানা দ্বিতীয় মাসের মতো দাম অপরিবর্তিত থাকছে।

আজ মঙ্গলবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। আদেশ অনুযায়ী, আগের মাসের ধারাবাহিকতায় এপ্রিল মাসেও ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেন একই দামে বিক্রি হবে।


তেলের বর্তমান বাজারমূল্য একনজরে:

জ্বালানির ধরন প্রতি লিটারের দাম (টাকা)
ডিজেল ১০০.০০
কেরোসিন ১১২.০০
পেট্রল ১১৬.০০
অকটেন ১২০.০০

ভর্তুকির চাপ ও সরকারের অবস্থান

বিপিসি (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন) সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিশ্ববাজারে তেলের যা দাম, সেই তুলনায় দেশে অনেক কম দামে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। তেলের দাম সমন্বয় করা হলে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম হওয়ার কথা ছিল প্রায় ২০০ টাকা। সরকার দাম না বাড়ানোর ফলে শুধু এক মাসেই প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি গুনতে হবে।

গতকাল জাতীয় সংসদে বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরেন জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু)। তিনি জানান:

  • গত এক মাসে বিশ্ববাজারে ডিজেলের দাম বেড়েছে ৯৮ শতাংশ

  • প্রতি লিটার ডিজেল আমদানিতে বর্তমানে সরকারের খরচ হচ্ছে ১৯৮ টাকা

  • অকটেন ১২০ টাকায় বিক্রি হলেও এটি আমদানিতে খরচ পড়ছে ১৫০ টাকা ৭২ পয়সা

স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি

২০২৪ সালের মার্চ থেকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি (Automatic Pricing Formula) চালু করা হলেও বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি থেকে বিরত থাকছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি মাসে আমদানিমূল্য বিবেচনা করে দাম সমন্বয় করা হয়। তবে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত হওয়ায় সরকার বিশাল অংকের ভর্তুকি দিয়ে হলেও এর দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে জেট ফুয়েল ও ফার্নেস অয়েলের দাম বিইআরসি (BERC) নির্ধারণ করলেও ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্বাহী আদেশে মন্ত্রণালয় থেকে নির্ধারণ করা হচ্ছে। চরম বৈশ্বিক সংকটেও তেলের দাম না বাড়ায় সাধারণ পরিবহন ও কৃষিখাতে বড় ধরণের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১৫ মার্চ ২০২৬

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বিতর্কে জয় শাহ: ‘কোনো দলই আইসিসির চেয়ে বড় নয়’

www.jonotanews.com